বিচ্ছেদ

সদর দরজা বন্ধ হলে, পথ আটকে যায় অন্দরে প্রবেশের,
আমরা যখন যেখানে যাই, কষ্ট বেঁধে আনি জুতোর লেসে।

বাদলা ঘিরে এলে, তাকে মনখারাপের সূত্র বলে ভাবা,
বুঝলে যখন গুরুত্বটা, আমার তখন সময় হল যাবার।

শেষ যদি এই আয়ু, তবে কি হবে লাভ হস্তাক্ষর রেখে?
ডিপ্রেশনের সময় মানুষ আগলে ক্ষত বৃহৎ হতে শেখে।

তোমার কথা বলব ভেবে, নিজের কথা লিখতে পারি নিপুণ,
অতীত মানে পশ্চাতে টান, মানুষ মানেই শিকার ষড়রিপুর।

আরেকটা বার জখম হয়ে একলা থাকার মতন কোনো শোকে,
কাঁদতে কাঁদতে, একটা কিশোর ফিরবে বলে এঁটেছে ভেলক্রো-কে।

আর এভাবেই পাথর হয়ে আঘাতগুলো ভুলতে পারাই প্রথা,
ঠিক যেভাবে পেনের নিবে জন্ম নিচ্ছে প্রগাঢ় স্থূলতা।

যে কলমের মুখটা ভোঁতা, কি হবে তার দোয়াত, কালি চিনে?
তারচে' এস আমরা বরং আলাদা হই ভাদ্রে বা আশ্বিনে।

লিখিত- উত্তরপাড়া, মার্চ ২০১৯
প্রকাশিত- "দুই মলাটে কবিসভা" সংকলন (কচিপাতা পত্রিকা)

Comments

Popular posts from this blog

কোজাগরী